দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সমঝোতা এবং লেবাননে হিজবুল্লাহর হামলা নিয়ে বাড়তি রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এমন পরিস্থিতিতে তিনি আজ সন্ধ্যায় দেশটির নিরাপত্তা মন্ত্রিসভার বৈঠক ডেকেছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য সমঝোতার খবর প্রকাশের পর এটিই হতে যাচ্ছে নিরাপত্তা মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক। ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের একাংশ ব্যক্তিগত আলোচনায় এ সমঝোতাকে ‘খারাপ ধারণা’ বলে উল্লেখ করেছেন।
দুই ইসরাইলি সূত্র জানিয়েছে, প্রকাশ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমালোচনা না করলেও ব্যক্তিগত আলোচনায় নেতানিয়াহু স্বীকার করেছেন, ওয়াশিংটনের সিদ্ধান্ত ও ইরানের সঙ্গে আলোচনায় তার প্রভাব সীমিত।
ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের মতে, সম্ভাব্য সমঝোতায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত নিয়ে তাদের মূল উদ্বেগগুলোর সমাধান হচ্ছে না।
একই সময়ে ইরান লেবাননে যুদ্ধবিরতি জোরদারের চেষ্টা করছে বলে জানা গেছে। অন্যদিকে হিজবুল্লাহ ইসরায়েলি সেনা ও উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্তবর্তী বসতিগুলোর ওপর প্রতিদিন ড্রোন হামলা বাড়িয়ে চলেছে।
এ পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও নিজ জোটের শরিকদের চাপের মুখে পড়েছেন নেতানিয়াহু। সাবেক সেনাপ্রধান ও বিরোধী রাজনীতিক গাদি এইজেনকোৎ বলেন, ‘এটি ইসরায়েলের জন্য প্রতিকূল শর্তে চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধবিরতি, যা উত্তরাঞ্চলের বাসিন্দা ও সেনাদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।’
নেতানিয়াহুর কট্টর ডানপন্থি মিত্র ইতামার বেন-গাভির ও বেজালেল স্মোট্রিচ আরও কঠোর সামরিক পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন।
বেন গাভির নেতানিয়াহুকে ট্রাম্পের মুখোমুখি হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘ইসরায়েল রাষ্ট্র এটি মেনে নিতে পারে না—এ কথা স্পষ্ট করতে হবে।’
অন্যদিকে স্মোট্রিচ বলেন, ‘কৌশলগত হুমকির জবাব শুধু প্রতিরক্ষার মাধ্যমে দেওয়া যায় না, এর জন্য পুরো সমীকরণ বদলে দিতে হয়। প্রতিটি বিস্ফোরক ড্রোন হামলার জবাবে বৈরুতের ১০টি ভবন ধ্বংস করে দিতে হবে।’
সমালোচনার মধ্যেই সোমবার এক ভিডিও বার্তায় নেতানিয়াহু ঘোষণা দেন, লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা আরও জোরদার করা হবে। তিনি বলেন, ‘আমাদের আঘাত আরও বাড়াতে হবে, তীব্রতা বাড়াতে হবে। আমরা তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেব।’
তথ্যসূত্র: সিএনএন
/অ